
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: রমজানে সুস্থ থাকার জন্য নিচের নির্দেশনাগুলো মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১. পর্যাপ্ত পানি পান: তৃষ্ণা অনুভব না করলেও দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করা উচিত। বাইরে যাওয়ার সময় সর্বদা একটি পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। ওরস্যালাইন, ডাবের পানি কিংবা লেবুর শরবত শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখতে সহায়ক।
২. পোশাক নির্বাচন: গরমে আঁটসাঁট এবং সিন্থেটিক কাপড় পরিহার করা উচিত। হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক বেছে নিন, যা ঘাম শোষণ করে এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।
৩. খাদ্যাভ্যাস: এই সময় অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এবং ফাস্টফুড পরিহার করা শ্রেয়। সহজপাচ্য খাবার যেমন পাতলা ডাল, সবজি, টক দই ও রসালো ফল (যেমন তরমুজ, বাঙ্গি) বেশি পরিমাণে খান। বাসি কিংবা রাস্তার ধারের খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. রোদ থেকে সাবধান: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সূর্যের তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। অতি প্রয়োজন ছাড়া এই সময়ে বাইরে যাওয়া উচিত নয়। বের হলে ছাতা, টুপি, রোদচশমা এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
৫. নিয়মিত গোসল: শরীরকে ঠান্ডা রাখতে দিনে অন্তত একবার অথবা প্রয়োজনে দুবার স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে গোসল করুন। তবে রোদে পুড়ে ফিরে সঙ্গে সঙ্গেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করা বা গোসল করা উচিত নয়।
৬. ঘরের পরিবেশ: ঘরের জানালা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করুন। দিনের বেলায় পর্দা টেনে ঘরকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। গাছপালা থাকলে ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে।
৭. লক্ষণ বুঝে ব্যবস্থা: যদি অতিরিক্ত ক্লান্তি, মাথাব্যথা, বমি ভাব অথবা শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তবে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় গিয়ে বিশ্রাম নিন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।