সংবিধান সংস্কার পরিষদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়ে উঠছে প্রশ্ন; রাজনীতির অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যা দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব নিয়ে উঠছে প্রশ্ন; রাজনীতির অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যা দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কাঠামো না থাকায় এ নামে যারা শপথ নিয়েছেন এটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে জাতীয় সংসদে শুধুমাত্র নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই অংশ নিতে পারবেন।
‘পার্থের মতে, আগে ৭২-এর সংবিধান ছিল শোষণের একটি হাতিয়ার, কিন্তু বর্তমানে এটি একটি পবিত্র দলিল হিসেবে গৃহীত হয়েছে।’
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়ায় টানাপোড়েন অব্যাহত, উচ্চকক্ষ ও প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য গড়ে উঠতে সক্ষম হয়নি।
সংবিধানের প্রতি সম্মান বজায় রেখে অভ্যুত্থান ঘটানো সম্ভব নয়।
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া ঐতিহাসিক গণভোটে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ 'জুলাই সনদ ২০২৫'-এর সংস্কার প্রস্তাবনার পক্ষে রায় দিয়েছে।
নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশনের আগে বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার পদের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, জুলাই সনদের আলোকে রাজনৈতিক সমঝোতা শুরু করতেই এই সদিচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে।
জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে, একে সংবিধানে খোঁজার সুযোগ নেই'— অ্যাডভোকেট শিশির মনির
জুলাই সনদের বিষয় বাস্তবায়ন হবে না বলে জানিয়েছেন 'হ্যাঁ' জয়ী হলেও ভিন্নমত পোষণকারীরা।
বিএনপির সংস্কার প্রশ্নে অবস্থান: কিছু নেতার সমালোচনা, অন্যদের অপেক্ষার কৌশল