
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরে রেলপথ স্থাপনের বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে তিনি বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে উপস্থাপন করেন এবং প্রাথমিক অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ নেন।
এ রেলপথ ছিল ঝিনাইদহবাসীর বহুকাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে মানুষ এই সংযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। আশেপাশের প্রায় সব জেলাতেই রেল যোগাযোগ থাকলেও ঝিনাইদহ ছিল রেলবিহীন জেলা, যা স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের আক্ষেপের কারণ ছিল। ফলে এই প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপ উত্তীর্ণ হওয়ার খবর এলাকায় ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে।
প্রস্তাবিত রেলপথটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে এ অঞ্চলের মানুষকে দীর্ঘ সময় সড়কপথে যাতায়াত করতে হয়। নতুন রেললাইন চালু হলে রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে, ফলে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে।
বিশেষ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি রেল সুবিধা পেলে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, রেল যোগাযোগ চালু হলে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হবে, যা আঞ্চলিক অর্থনীতিকে গতিশীল করবে।
এখন সবার নজর চূড়ান্ত অনুমোদন ও বাজেট বরাদ্দের দিকে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদন শেষে অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত হলে নির্মাণকাজ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।
সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ঝিনাইদহবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে পারে বলে আশা করা যায়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন ও সংযোগ ব্যবস্থায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।