
এলাকাবাসীর অভিযোগ:
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী, নগরীর কাউনিয়া বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মিল্টন চৌধুরী জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে একটি টর্চারসেল স্থাপন করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই স্থানে ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। তার অত্যাচারে স্থানীয়দের জীবনযাত্রা দুঃসহ হয়ে উঠেছিল।
গ্রেপ্তার ও পূর্ব ইতিহাস:
১৮ এপ্রিল, মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানা ঘেরাও করে এলাকাবাসীর আন্দোলনের মুখে অভিযুক্ত মিল্টনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওইদিন দুপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে আইনের আওতায় আনা হয়। জানা গেছে, এর আগে তিনি দলের কর্মীকে হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে দল থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন। তবে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও বিএনপির নাম ভাঙিয়ে তিনি এলাকায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন।
রাজনৈতিক অবস্থান ও বর্তমান পরিস্থিতি:
শুক্রবার জুমার নামাজের পর মিল্টনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা নগরীর কাউনিয়া সাধুর বটতলা এলাকায় বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ারের বাসায় যান। এসময় মজিবর রহমান সরোয়ার এলাকাবাসীকে জানান, ‘মিল্টন দলের কেউ নয় এবং তাকে আগে থেকেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’
সাবেক এমপির সঙ্গে কথা বলার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ফিরে এসে নতুন বাজার এলাকায় মিল্টনের কার্যালয়টি পুনরায় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন। এ সময় কার্যালয়ের কাঠের অবকাঠামো ভাঙচুরের পাশাপাশি আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল খালে নিক্ষেপ করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে:
কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সনজিৎ কুমার জানান, “বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিল্টনের রাজনৈতিক কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।