
বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় হচ্ছে, ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে চীন ও তাইওয়ানকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। চীন, তাইওয়ান প্রণালির আশেপাশে একের পর এক যুদ্ধবিমান মহড়া পরিচালনা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অঞ্চলটিতে ২৬টি যুদ্ধবিমান শনাক্ত করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ), বার্তাসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করেছে যে, দুই সপ্তাহের অস্বাভাবিক বিরতির পর চীন ফের তাইওয়ানের আশপাশে ব্যাপক সামরিক মহড়া শুরু করেছে। এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। উল্লেখ্য, চীন গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৈনিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় তাইওয়ান প্রণালী অঞ্চলে ২৬টি চীনা সামরিক উড়োজাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ ২৫ ফেব্রুয়ারি বড় পরিসরে মহড়ার ঘটনা ঘটে, যেখানে ৩০টি বিমান অংশ নেয়। রয়টার্স জানাচ্ছে, ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত তাইওয়ান কোনো চীনা সামরিক বিমান দেখতে পায়নি। পরে ৭ মার্চ দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আকাশে দুটি বিমান শনাক্ত হয়। এরপর থেকে শুধুমাত্র ছোট আকারের বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, চীনের তরফ থেকে এই অস্বাভাবিক বিরতির কারণ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। রোববার এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বেইজিংয়ের কাছে প্রশ্ন করা হলেও তারা সাড়া দেয়নি।
তবে, শনিবার রাতে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের একটি বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। প্রেসিডেন্ট লাই প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির এবং দ্বীপটির গণতন্ত্র রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন। দপ্তরের এক মুখপাত্র মন্তব্য করেন, লাই চিং-তে যেন ভুল হিসাব না করেন, কারণ বেপরোয়া পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তারা নিজেদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।