
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১ মার্চ ২০২৬: কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী সামরিক অভিযান চালিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। শনিবার ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্ট থেকে পুরো অপারেশনটি পর্যবেক্ষণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে এক ভিডিও বার্তায় তিনি খামেনেইর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ইরানিদের উদ্দেশে বলেন, "আপনাদের স্বাধীনতার সময় ঘনিয়ে এসেছে, এখন আপনাদের সরকার আপনাদেরই বুঝে নিতে হবে।"
অভিযানের মূল লক্ষ্যসমূহ: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হামলার পেছনে চারটি প্রধান লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন: ১. পারমাণবিক অস্ত্র রোধ: ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। ২. ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস: ইউরোপ ও আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের জন্য হুমকিস্বরূপ ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নির্মূল করা। ৩. প্রক্সি নেটওয়ার্ক দমন: হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে মার্কিন মিত্রদের ওপর হুমকি বন্ধ করা। ৪. বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্যাতনের বিচার: সম্প্রতি ইরানি বিক্ষোভকারীদের ওপর তেহরানের নির্মম দমন-পীড়নের প্রতিশোধ নেওয়া।
খামেনেইর মৃত্যু নিশ্চিত: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, খামেনেইর কম্পাউন্ড সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে এবং তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও খামেনেইর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এই 'পিনপয়েন্ট বোম্বিং' বা নিখুঁত বিমান হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি একে 'প্রজন্মের একমাত্র সুযোগ' হিসেবে উল্লেখ করে ইরানিদের বিদ্রোহ করার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।