
কথা২৪ ।বরিশাল প্রতিনিধি
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকেরগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে রুমানা আফরোজ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন। তিনি নিয়মিত প্রকল্প পরিদর্শন করে কাজের মান নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে বিল অনুমোদন করতেন। এর ফলে একটি অসাধু চক্র তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যেহেতু তারা কোনো অনৈতিক সুবিধা নিতে পারেনি।
বিশেষ করে, বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ২ শতাংশ কমিশন নেওয়ার যে অভিযোগ কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেটিকে স্থানীয়রা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে কোনো সঠিক দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
বাকেরগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে, রুমানা আফরোজ সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর দপ্তরে সাধারণ মানুষ সহজেই প্রবেশ করতে পারতেন এবং নিজেদের সমস্যাগুলোর কথা জানাতে পারতেন। এছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তিনি নিয়মিত তদারকি করতেন।
এছাড়া, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, কিছু নামধারী ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে এই অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন। এমনকি সংবাদ প্রকাশ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারের ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবির ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে সাবেক ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি যে কোনো পরিণতি মেনে নিতে প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, দায়িত্বে থাকাকালে কোনো মাসিক সভা বা জনসমক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ ওঠেনি।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো জাতীয় দৈনিকে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তারা বলেন, একজন সৎ কর্মকর্তাকে সামাজিকভাবে হেয় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।