
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে হজের খরচ কমানোর জন্য সরকার আরও উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আশা করি, আগামী বছর যারা হজে যাবেন, তাদের জন্য খরচ কিছুটা কমাতে সক্ষম হব। আমরা চেষ্টা করছি যাতে হজযাত্রীদের ভোগান্তি আগামী বছর থেকে কমে যায়।’
আজ শুক্রবার রাতে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই বছরের প্রথম হজ ফ্লাইট উদ্বোধনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘আমরা ১৮ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করেছি। এবারের হজের কার্যক্রম ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে সম্পন্ন হয়েছে, তাই আমাদের হাতে বেশি সময় ছিল না। তবে আমরা চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব, এবং এবারে আমরা খরচ ১২ হাজার টাকার মতো কমাতে পেরেছি।’
হজযাত্রীদের উদ্দেশ্যে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা আল্লাহর ঘরে যাচ্ছেন। দেশের মানুষের জন্য দোয়া করবেন যেন তারা শান্তিতে থাকতে পারে। আমি দোয়া করি আপনারা সুস্থ হয়ে দেশে ফিরতে পারেন।’ এই সময় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ, ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, বেসামরিক বিমান চলাচল সচিব ফাহমিদা আখতার, এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
পরে রাত ১২টা ২০ মিনিটে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।