
স্টাফ রিপোর্টার | কথা২৪
কুতবা ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা এবং বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনগণের অভিযোগ, চাল বিতরণে অনিয়ম ও চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে খকোন পাটোয়ারীর একটি ইটভাটায় জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল উদ্ধার হয়। এই ঘটনার পর আজম কাজী এবং মোর্শেদ জাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তরা সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে গতকাল রাতে কুতবা ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি পদ স্থগিত করার ঘটনা নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
কুতবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জোবায়েদ চেয়ারম্যান বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর থেকে আমি পরিষদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।” তিনি জানান, বর্তমানে আজম কাজী ও সচিব মিলে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দাবি করেন, “কার্ড যাচাই করে নিয়ম অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হয়েছে।” তবে স্থানীয়দের বক্তব্য ভিন্ন।
এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিক বলেন, “শুধু একজনকে দায়ী করলে হবে না, এখানে আরও বড় পর্যায়ের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।” আরেক বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, “নতুন বাংলাদেশে আমরা স্বচ্ছতা চাই, এ ধরনের ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আজম কাজীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও মোর্শেদ জাহান চৌধুরী অভিযোগগুলোকে “বড় ধরনের ষড়যন্ত্র” বলে দাবি করেছেন।
এদিকে পুরো ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, এবং স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।