
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ। সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যেই এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ। এই পদক্ষেপটি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক মামুন মাহমুদ দীর্ঘ সময় ধরে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় অবদান রেখে চলেছেন। তিনি অতীতে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জেলা কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে কাজ করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে তিনি নাশকতা, হেফাজত এবং বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া প্রায় তিন ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামি ছিলেন। ফলস্বরূপ, তাকে দীর্ঘ সময় কারাবরণ করতে হয়েছে, এসব মামলা নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় দায়ের করা হয়েছিল।
তার রাজনৈতিক জীবনকে সততা ও পরিচ্ছন্নতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বড় কোনো বিতর্ক তাকে স্পর্শ করেনি, ফলে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে অনেকেই তাকে ‘ক্লিনম্যান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় দায়ের করা একটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে গ্রেফতার করে কোমরে রশি বেঁধে আদালতে হাজির করা হয়। সেই সময়ের ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।