
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১২ মার্চ ২০২৬: মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয় (USTR) বুধবার একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভ্যন্তরীণ শিল্প সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই বৈশ্বিক তদন্ত শুরু করেছে। বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ৬.১৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে, যা মূলত তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি থেকে আসে। মার্কিন সরকারের অভিযোগ, বাংলাদেশের ৪৩টি খাতে দেওয়া রপ্তানি নগদ প্রণোদনা এবং টেক্সটাইল খাতের আধিপত্য বিশ্ববাজারে কাঠামোগত অতিরিক্ত সক্ষমতা তৈরি করছে।
সিমেন্ট শিল্পও সংকটে: শুধু পোশাক খাত নয়, বাংলাদেশের সিমেন্ট শিল্প নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের সিমেন্ট ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ৩৮ মিলিয়ন টন—যা মোট সক্ষমতার ৪০ শতাংশেরও কম—এবং ২০২৫ সালে তা আরও হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র আর তার শিল্প ভিত্তি অন্য দেশের অতিরিক্ত উৎপাদনের কাছে উৎসর্গ করবে না।"
পরবর্তী পদক্ষেপ: ইউএসটিআর আগামী ১৭ মার্চ একটি ডকেট খুলবে যেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের মতামত জমা দিতে পারবে। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে লিখিত মন্তব্য এবং শুনানির অনুরোধ পাঠাতে হবে, আর ৫ মে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।