প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৫০ এএম
          --- ৩ মাস আগে
Ad

বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ মুহম্মদপুর শীতের তীব্রতা, হিমেল হাওয়ার কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন স্থবির প্রায়

অ- অ+
বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ মুহম্মদপুর শীতের তীব্রতা, হিমেল হাওয়ার কনকনে ঠান্ডায়  জনজীবন স্থবির প্রায়
বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ মুহম্মদপুর শীতের তীব্রতা, হিমেল হাওয়ার কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন স্থবির প্রায়
Ad


Katha24.com  I  (মাগুরা) প্রতিনিধি


গত কয়েকদিন ধরে ঘনো কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় মাগুরার মহম্মদপুরে জেঁকে বসেছে শীত। পৌষের কনকনে বাতাসে হাড় কাঁপানো শীতের কামড়ে কাঁপছে উপজেলাবাসী। প্রচন্ড শীতে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা! প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাহির হচ্ছেন না। এতে বিপদে পড়েছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। শীতের প্রকোপে ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে উপছে পড়ছে ভীড়।  


সূদুর হিমালয় থেকে আসা উত্তরের হাড় কাঁপানো কনকনে বাতাসে শীতের মাত্রা দিন দিন বেড়ে চলেছে। সাধারণ মানুষের বাইরে চলাচল অনেকটা কমে এসেছে। জরুরি কাজ না থাকলে অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছে না। ফলে বিপদে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে যারা মাঠে কাজ করেন অথবা নদীতে মাছ ধরেন তাদের জীবনযাত্রা দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে। 


প্রায় সপ্তাহখানিক হলো সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কোথাও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। সকাল থেকেই সর্বত্র ঘনো কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিলো আকাশ। সন্ধ্যা হলেই বৃষ্টির মতো পড়তে থাকে শিশির। তাপমাত্রা নেমে আসার পাশাপাশি প্রচন্ড হিমেল হাওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে এলাকার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রা। পৌষের শেষভাগে শীতের প্রকোপে জুবুথুবু অবস্থায় সময় কাটছে ঘরের মধ্যে। 


সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শীতের কামড় থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষ পুরানো কাপড়ের খোঁজে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভীড় জমাচ্ছে। আবার অনেকেই চুলাই বা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। প্রায় এক সপ্তাহ হলো আকাশের কোথাও সূর্যের দেখা মিলছে না। এতে করে বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগে অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু এবং বৃদ্ধ মানুষেরা নানান ঠান্ডা জনিত রোগের স্বীকার হচ্ছে। অপরদিকে গৃহপালিত জীবজন্তু ও বন্য পশু-পাখি শীতের তীব্রতায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ঘনো কুয়াশার কারণে সড়কগুলোতে রাতের বেলায় গাড়ি চলাচল দারুণভাবে ব্যাহত হচ্ছে! 


এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: কাজী আবু আহসান জানান, হাসপাতালে এই মুহূর্তে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ শীত জনিত নানান রোগে প্রচুর পরিমাণে রোগী প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে। বিশেষ করে, শিশু এবং বৃদ্ধ রোগীদের সংখ্যা সব থেকে বেশি। "


এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহ: শাহানুর জামান জানান," এবছর শীত উপলক্ষ্যে উপজেলার নিন্মআয়ের মানুষের জন্য তেমন কোন বরাদ্দ আসে নাই তবে মহম্মদপুরের জন্য বরাদ্দকৃত কম্বল আমারা ইতিমধ্যে বিতরণ করেছি।"

মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মনোনয়ন বঞ্চিত পাপিয়া: ‘কাফনের কাপড়’ পরে মাঠে নামার হুমকি, শেষ পর্যন্ত কী ঘটবে?

মাদারীপুরে ৩ লাখ টাকা নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী গায়েব: ২০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে

হেলেন জেরিন খানকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান

হিমালয়ের চূড়ায় বাংলাদেশের গৌরব: ১৬০ কিমি দৌড়ে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন তিন সাহসী দৌড়বিদ

আড়ালের নায়ক’ রুবেলের বিদায়: মিরপুরে আবেগী সমাপন

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি নতুন চাপে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন

কৃষি ও সামাজিক উন্নয়নে ব্র্যাকের ৫৩ কোটি টাকার বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা: তালিকায় নিপুন রায় ও তুলি

পটিয়ায় জমি বিরোধে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

লুইজিয়ানায় মর্মান্তিক বন্দুকযুদ্ধ: নিজ সন্তানদের ওপর বাবার গুলিবর্ষণ, ৮ শিশুর মৃত্যু

১০

বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: সিটি করপোরেশন উদ্বোধন ও জনসভায় ভাষণ

১১

মানবিক সহায়তায় অসহায়দের পাশে দাঁড়ালো - রেড ক্রিসেন্ট

১২

হরমুজ প্রণালীতে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সতর্কতায় ব্রিটিশ নৌবাহিনী

১৩

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর: নিজ জেলা বগুড়ায় তারেক রহমান

১৪

দুই দশক পর হাবিপ্রবি: দেশ-বিদেশে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের নতুন অধ্যায়

১৫

রাজশাহীতে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ: বাংলাদেশের নারীদের শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দীর্ঘ প্রতীক্ষার সমাপ্তি

১৬

এস আলমকে গ্রেপ্তার ও পাচার করা অর্থ ফেরতের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের

১৭

তারাকান্দায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব: পাল্টাপাল্টি মিছিলের মধ্যে ১৪৪ ধারা কার্যকর, সংঘর্ষের আশঙ্কা

১৮

স্ট্যামফোর্ডকে হারিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

১৯

জ্বালানি সংকট নেই তবে তেলের পাম্পে এত লম্বা লাইন কেন? সংসদে প্রশ্ন রুমিন ফারহানার

২০
Ad
Ad
Katha Expert