
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ৪ মার্চ ২০২৬: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠকে স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়নে 'ই-হেলথ কার্ড' (e-Health Card) প্রকল্প দ্রুত চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত এক ভিডিও বার্তায় জানান, এটি হবে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিকের চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য একটি কার্ডে সংরক্ষিত থাকবে।
কিভাবে কাজ করবে এই কার্ড? রোগী যখনই কোনো হাসপাতালে যাবেন, চিকিৎসকরা এই কার্ডের মাধ্যমে তার অতীত রোগের ইতিহাস, ল্যাব টেস্টের ফলাফল এবং আগে কী কী ওষুধ সেবন করেছেন—সবই মুহূর্তে জানতে পারবেন। এর ফলে ভুল চিকিৎসা বা অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার ঝুঁকি ও খরচ অনেকাংশে কমে আসবে।
তদারকি ও স্বচ্ছতা: এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসকদের কর্মস্থলে উপস্থিতি এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রম সরাসরি মনিটর করা যাবে। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে একটি জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এটি শুরু হবে এবং পরবর্তীতে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য-সেতু ও ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন: স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি 'ইউনিক হেলথ আইডি' থাকবে। এছাড়া দেশব্যাপী সমন্বিত 'ই-প্রেসক্রিপশন' ব্যবস্থা চালু করা হবে, যা সকল চিকিৎসকের জন্য বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।